1. syedmonir1985@gmail.com : DAINIKPOTRIKA :
  2. dainikpotrikainfo@gmail.com : Central Newsroom : Central Newsroom
  3. dainikpotrikabd@gmail.com : Central newsroom : Central newsroom
  4. dainikpotrikaads@gmail.com : News Room USA : News Room USA
একনায়কতন্ত্র হারানোর ভয়ে দিশেহারা তারাগঞ্জের সেই হলুদ সাংবাদিকেরা - দৈনিক পত্রিকা
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
ছন্দের তালে নৃত্যে আনন্দে ভারত-বাংলাদেশের অংশগ্রহনে নৃত্য ছড়াওকবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা-২০২১

একনায়কতন্ত্র হারানোর ভয়ে দিশেহারা তারাগঞ্জের সেই হলুদ সাংবাদিকেরা

মোঃ রহমত মণ্ডল তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশ কালঃ সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে
শান্ত সমুদ্রে যেমন দক্ষ নাবিক হওয়া যায় না, তেমনি বোকার রাজ্যে বাস করে দীর্ঘদিন একনায়কতন্ত্র কায়েম করা যায় না। তথাকথিত শিক্ষা গুরুর ভুল শিক্ষার কারণে শিষ্য আজ তৈরি করেছে নতুন রচনা। স্রোতের বিপরীতে সাঁতরানো পরাজিত নায়কদের পূর্তি নাটকীয় সহানুভূতি। বস্তনিষ্ঠতা, যা সত্য তাই সুন্দর। সৎ সাংবাদিকতা এ সত্যেরই আরাধনা করে। নৈতিকতা বলে সাংবাদিকতায় একটি বিষয় আছে যা না থাকলে সাংবাদিকতা আর সাংবাদিকতা থাকে না। সেই নৈতিকতা এখন তারাগঞ্জে ভুঁইফোড় হলুদ সাংবাদিকদের কাছে বিরল। অপসাংবাদিক গোত্রের সদস্য নেহাতেই কম হয়- বিশ্বাস করতে ভালো লাগে। বর্ষায় প্রায়ই বিশাল সাগরের খানিক জল ঘোলাটে ও ময়লা দেখায়, তবে তা কেবল সামনের দিকে, একটু দূরে থাকলেই দেখা যায় দিগন্তের অবধি অফুরন্ত ঝলমলে নীল জলরাশি। আমরা চাই, তারাগঞ্জের ভালো সাংবাদিকদের সাহচর্যে হলুদ সাংবাদিকবৃন্দের কলব থেকে ঘোলাটে ময়লা বিদূরিত হোক। সমাজের আয়নায় পরিণত হোক সাংবাদিকদের লিখনি, যা দেখে মানুষ সচেতন হবেন।
কথাগুলো বলছি তারাগঞ্জের ভুঁইফোঁড় হলুদ সাংবাদিকদের সংগঠন নিয়ে। যে সংগঠনটি তারাগঞ্জে পারিবারিক সাংবাদিক সংগঠন নামে সবার কাছে বেশ পরিচিত। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি এক বছর কিংবা দুই বছর পর নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করার কথা থাকলেও নির্বাচনতো দূরের কথা ওই সাংবাদিক সংগঠেনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ার মতো নয়। ওই সংগঠনের হলুদ সাংবাদিকেরা আওয়ামীলীগ বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। গত সাংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তারা আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে।
সুবিধা না পাওয়ায় এখন তারা আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান লিটনের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। কিন্তু তারাগঞ্জের মানুষ তা কোনো ভাবেই বিশ্বাস করছেন না। কারণ তারাগঞ্জের মানুষতো ওই সংগঠনের হলুদ সাংবাদিকদের অপকর্মের কথা জানেন।
ওই হলুদ সাংবাদিকেরা সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করার জন্য অবৈধভাবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছেন সাংবাদিক সংগঠনের কার্যালয়। সেখানে বসে চলে ওই সাংবাদিকদের অপকর্ম। সুবিধা না পেলে তারা অপপ্রচার চালান।
অভিযোগ উঠেছে, ওই ভুঁইফোড় হলুদ সাংবাদিকদের সংগঠনের সদস্যরা দীর্ঘ দিন ধরে পিপীলিকার মতো চুষে খাওয়া তারাগঞ্জবাসীকে বুঝ দেওয়ার জন্য কিছুদিন আগে স্বনামধন্য একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে লজ্জা ঢাকার জন্য উপজেলা পরিষদের সামনে সড়ক ও জনপদ বিভাগের দখলকৃত জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা তাদের ঘরটি রঙ করেন। ওই ঘরটির পাশেই উপজেলা প্রেসক্লাবের ঘরটি তৈরি করায় ওই হলুদ সাংবাদিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা উপজেলা প্রেসক্লাবের সুনাম নষ্ট করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তারা সরকারের সুনাম নষ্ট করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়ালেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নাটক সাজিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্বারকলিপি দিয়েছেন। তারাগঞ্জ উপজেলার আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান লিটন কে জরিয়ে তারা মিথ্যা খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াচ্ছেন।
আলমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ওই চার-পাঁচজন ভুঁইফোড় সাংবাদিকের অত্যাচারে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা যাতে জয়ী হতে না পারে সেজন্য বিগত সাংসদ ও উপজেলা নির্বাচনে তাঁরা আওয়ামীলীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালিয়েছে। কিন্তু তাদের সে আশা পূরণ না হওয়ায় এখন আওয়ামীলীগের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান লিটন ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
তারাগঞ্জ আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কুর্শা ইউপি চেয়ারম্যান আফজালুল হক সরকার বলেন, নির্বাচনের সময় বর্তমান সাংসদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালিয়েছে ওই ভুঁইফোড় সাংবাদিকরা। উপজেলা পরিষদের নির্বাচনেও আওয়ামীলীগের প্রার্থী আনিছুর রহমান লিটনের বিরুদ্ধে একই কাজ করেছে। বিরোধী দলের ইন্দোনে ওই চার পাঁচজন সাংবাদিক। এখন নানা ভাবে আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালাচ্ছেন তারা।
উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক বিপ্লব হোসেন অপু বলেন, উপজেলা প্রেসক্লাবটি গঠন করার পর ওই সংগঠনের যে দুই তিনজন সাংবাদিক আছে তাদের দীর্ঘদিনের রামরাজত্ব ও একনায়কতন্ত্র হাড়িয়ে যাওয়ার ভয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। উপজেলা প্রেসক্লাবের ঘরটি যাতে চৌকশ সাংবাদিকরা তুলতে না পারে সেজন্য তারা বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাপ করে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন তারা বিভ্রান্ত মূলক তথ্য ছড়াচ্ছেন। উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদেরও তারা মামলায় জরিয়ে হয়রানি করাসহ বিভিন্ন ভাবে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। এতে উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তারাগঞ্জ বার্তার প্রকাশক ও সম্পাদক এবং দৈনিক সংবাদ পত্রিকার তারাগঞ্জ সংবাদদাতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মুঠোফোনে অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে দলাদলির কারণে আমার মতো সুনামধন্য সংবাদপত্রের সাংবাদিকের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। আমি দীর্ঘদিন থেকে সুনামের সাথে জাতীয় দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সাংবাদিকতা করছি। এই সুবাদে তারা আমাকে ওই সংগঠনে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও ওই সংগঠনের বার্ষিক কিংবা মাসিক কোন সভা করা হয়নি। আয় ও ব্যয়ের হিসাবও দেওয়া হয়না সদস্যদের। গঠনতন্ত্র মোতাবেক চলছেনা এ সংগঠনটি। একটি পারিবারিক সংগঠন  নামে তারাগঞ্জ বাসীর কাছে এটি পরিচিত। সভাপতির পদ দীর্ঘদিন ধরে আকড়ে আছেন একই ব্যক্তি। ওই সংগঠনের পদ টিকিয়ে রাখতে ও সকল সুবিধা ভোগ করার জন্য স্ত্রী সন্তান ও সমন্ধি কে বানিয়েছেন ওই সংগঠনের সদস্য।

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব ২০১৯-২০২১
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardainikp1
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । দৈনিক পত্রিকা কতৃপক্ষ
%d bloggers like this: