1. akashmarma112233@gmail.com : Mong Sing Thowai CH News Room : Mong Sing Thowai CH News Room
  2. akhternet33@gmail.com : Akhter Hosen barishal : Akhter Hosen barishal
  3. abdullahhaque51@gmail.com : Barishal News Room : Barishal News Room
  4. syedmonir1985@gmail.com : DAINIKPOTRIKA :
  5. jabedul30@gmail.com : Chattogram News Room : Chattogram News Room
  6. sheikhmdroman94@gmail.com : Khulna News Room : Khulna News Room
  7. fokironikali5@gmail.com : Mostafezur Rahman Rajshahi : Mostafezur Rahman Rajshahi
  8. smdanismia@gmail.com : Mymensingh NewsRoom : Mymensingh News Room
  9. nazmulislam148@gmail.com : Najmul Islam News Room : Najmul Islam News Room
  10. monjurulinfo6@gmail.com : Rajshahi News Room : Rajshahi News Room
  11. ashiqchatra@gmail.com : Rangpur News Room : Rangpur News Room
  12. dainikpotrikabdnewsdesk@gmail.com : Sherpur News Room : Sherpur News Room
  13. pintuadhikari38@gmail.com : Sylhet News Room : Sylhet News Room
নলডাঙ্গা বিএম ইনস্টিটিউট এর সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ - দৈনিক পত্রিকা
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২০, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

আগামী ২১ অক্টোরব ২০২০ রোজ বুধবার দৈনিক পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল হোক।।

 

নলডাঙ্গা বিএম ইনস্টিটিউট এর সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগ

মোঃ মাহমুদুল হাসান (মুক্তা), নলডাঙ্গা, নাটোরঃ
  • প্রকাশ কালঃ শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার নলডাঙ্গা পৌরসভায় অবস্থিত নলডাঙ্গা বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিএম কলেজ)। প্রতিষ্ঠানটির অল্প সময়ের জন্য অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ নেওয়া বুড়িরভাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক ও একই সাথে নলডাঙ্গা বিএম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোঃ আফসার আলী বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে নিজেকে বাঁচাতে কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদন ও অন্যান্য কাজের জন্য সভাপতি ও অধ্যক্ষ মিলে প্রায় অর্ধকোটি টাকা খরচ করেছে। অধ্যক্ষ আফসার আলী বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি করে পদত্যাগ করার পরে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির অনিয়ম ও দুর্নীতি আরো বেড়ে যায় বলে অভিযোগ শিক্ষকদের। প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক ও জমি দাতা সদস্য স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন, অধ্যক্ষ আফসার আলী অসংখ্য ভুয়া ভাউচার তৈরি করে প্রতিষ্ঠানের টাকা অবৈধভাবে খরচ করে কলেজের শিক্ষকদের হিসাব না দিয়ে পদত্যাগ করেছেন। অধ্যক্ষ পদত্যাগের পর সভাপতি তার অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢাকতে নীতিমালা অমান্য করে পেশী শক্তির বলে চতুর্থ জ্যেষ্ঠ প্রভাষক কে আইন বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করেন। সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিলে তৎকালীন সাংগঠনিক কমিটির মেয়াদ ১৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এর মাঝে তৎকালীন কমিটি ও শিক্ষকদের কাউকে কিছু না জানিয়ে গোপনে অবৈধভাবে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করেন। যে দুজনকে শিক্ষক প্রতিনিধি করা হয়েছে তা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষকেরই জানার বাহিরে। পরবর্তী কমিটির অভিভাবক সদস্য করা হয়েছে মোঃ সাহেব আলী কে যার কোন সন্তান এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত নেই। প্রভাষক বাংলা আব্দুল হান্নান ও প্রভাষক হিসাব বিজ্ঞান মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, অধ্যক্ষ, প্রভাষক বাংলা, প্রভাষক হিসাব বিজ্ঞান, কম্পিউটার প্রদর্শক, ল্যাব সহকারী, অফিস সহকারী ও পিয়ন এই ৭ জনের নিয়োগ পরীক্ষা একসাথে হয় এবং যোগদান একই সাথে অপরদিকে প্রভাষক ইংরেজি, প্রভাষক ব্যবস্থাপনা ও প্রভাষক কম্পিউটার এই তিন জনের পরীক্ষা প্রায় একমাস পরে হয় এবং যোগদানও পরে। কিন্তু যে শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিক্ষক হাজিরা খাতায় সেই শিক্ষকের স্বাক্ষর চতুর্থ নং ক্রমিকে। সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিলে গোপনে মূল রেজুলেশন বইয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও যোগদানের তারিখে ফ্লুইড ব্যবহার করে হাসিব উদ্দিন কে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক প্রমাণ করতে চেয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের কোন আয়-ব্যয়ের হিসাব শিক্ষকদের দেওয়া হয় না যা সভাপতি ও ভারপ্রাাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ করেন। বিভিন্ন অনিয়়়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আফসার আলী বলেন, আমি কোনো অনিয়ম করিনি যেখানে যে টাকার প্রয়োজন প্রতিষ্ঠানের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে সেখানে তাই খরচ করেছি। আমার কাছ থেকে সমস্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটি বুঝে নিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাসিব উদ্দিন বলেন, আমার নিয়োগ যোগদান আগে না পরে তা বিবেচ্য বিষয় নয় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি যেটা ভালো মনে করেছেন সেই অনুসারে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি তা পালন করছি। এই বিষয়ে সভাপতি সবকিছু জানেন। ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য সাহেব আলী বলেন, আমার কোন ছেলে-মেয়ে এ প্রতিষ্ঠানে পড়ে না। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের স্বার্থে সভাপতি ও অধ্যক্ষ মিলে আমাকে অভিভাবক সদস্য মনোনীত করেছেন। প্রতিষ্ঠানের জমি দাতা সদস্য মকলেসুর রহমান ফকির বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানে জমি দান করেছি সাংগঠনিক কমিটির দাতা সদস্য ছিলাম। সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিভিন্ন ব্যয়ের ব্যাপারে আপত্তি প্রকাশ করায় পরবর্তী কমিটি থেকে সভাপতি ও অধ্যক্ষ মিলে আমাকে অবৈধভাবে বাদ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কমিটির সদস্য ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব মোঃ আব্দুস সামাদ বলেন, প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষা অধ্যক্ষসহ ৭ জনের আগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এই ৭ জনের যোগদান একই সাথে। অপরদিকে প্রভাষক ইংরেজী, ব্যবস্থাপনা ও কম্পিউটার এই তিন জনের পরীক্ষা পরে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এদের যোগদানও পরে।আমি প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা কমিটির সদস্য ছিলাম বিভিন্ন ব্যয়ের অসংগতি ধরার বা ব্যয় সম্পর্কে আপত্তি প্রকাশ করার কারণে কাউকে কিছু না জানিয়ে সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান আমাকে নিরীক্ষা কমিটি থেকে বাদ দিয়েছে। শুধু তাই নয় পরবর্তীতে আমাদের অজান্তেই আরেকটি ম্যানেজিং কমিটি গঠন করেছে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতি মিলে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইয়াকুব আলী মন্ডল বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান গড়তে গেলে সব কিছুু দেখলে চলে না। রেজুলেশন বইয়ে শুধু ফ্লুইড কেন প্রয়োজন হলে সম্পূর্ণ রেজুলেশন বই পাল্টে ফেলতে হবে। নলডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, উমাশিঅ/নলঃ/নাটঃ/তদন্ত-/২০১৮/৫২৫ নং স্মারকে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছি, নলডাঙ্গা বিএম ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ বিধি সম্মতভাবে হয়নি। শিক্ষক হাজিরা খাতা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় প্রভাষক হিসাব বিজ্ঞান মাহমুদুল হাসান এর যোগদান আগে এবং অধ্যক্ষের পরে ২ নং ক্রমিকের স্বাক্ষর করেন তিনি। অপরদিকে প্রভাষক ব্যবস্থাপনা হাসিব উদ্দিন এর যোগদান পরে এবং চতুর্থ নং ক্রমিকে স্বাক্ষর করেন তিনি। মূল রেজুলেশন বইয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও যোগদানের তারিখে ফ্লুইড ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি আরো বলেন নলডাঙ্গা বিএম ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানে জমি দান করেছে পরবর্তীতে সেই ব্যক্তিকে জমি দাতা সদস্য থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার নামে মোটা অঙ্কের টাকার বাণিজ্য হয়েছে। তদন্তে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে প্রচুর টাকা ব্যয় করেছে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটি। প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব ২০১৯-২০২০
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardainikp1
ছিঃ ছিঃ নকল করোনা!