1. syedmonir1985@gmail.com : DAINIKPOTRIKA :
  2. dainikpotrikainfo@gmail.com : Central Newsroom : Central Newsroom
  3. dainikpotrikabd@gmail.com : Central newsroom : Central newsroom
  4. dainikpotrikaads@gmail.com : News Room USA : News Room USA
নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর মধ্যে দিয়ে সরকারি চাকরির দুয়ার খুলতে শুরু করেছে - দৈনিক পত্রিকা
বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
ছন্দের তালে নৃত্যে আনন্দে ভারত-বাংলাদেশের অংশগ্রহনে নৃত্য ছড়াওকবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা-২০২১

নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর মধ্যে দিয়ে সরকারি চাকরির দুয়ার খুলতে শুরু করেছে

দৈনিক পত্রিকা ডেস্কঃ
  • প্রকাশ কালঃ রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ৭৮ বার দেখা হয়েছে
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের অভিঘাতে স্থবির হয়ে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর মধ্যে দিয়ে সরকারি চাকরির দুয়ার খুলতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ৩৮তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণি (নবম গ্রেড) পদে ৭৮০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি।

পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ করা হচ্ছে যার বিজ্ঞপ্তি চলতি মাসেই প্রকাশিত হবে বলে পুলিশের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে জানা গেছে।
এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর সরকারি নিয়োগ কার্যক্রম স্থবির থাকার পর বর্তমানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোট আকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে সেগুলোও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু করা হচ্ছে। বেশি আকারে আবেদনকারী হলে ধাপ ধাপে পরীক্ষা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি সব স্তরের নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হবে।
এর অংশ হিসেবে নতুনভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে সরকারি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ পিএসসি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে যে চাহিদা পাঠানো হয়েছে তার ভিত্তিতে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করে যোগ্যদের তালিকা তৈরি করে ইতোমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে নতুন করে বেশ কয়েকটি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় জনবল নিয়োগের চাহিদা এসেছে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে সিদ্ধান্ত হয়েও আটকে থাকা সরকারি নিয়োগে প্রার্থীদের বয়স সীমায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে বিসিএসের বেলায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে না। যেসব মন্ত্রণালয় বা অধীন প্রতিষ্ঠান সরাসরি নিয়োগে গত বছরের ২৫ মার্চের আগে নিয়োগের জন্য ছাড়পত্রসহ প্রস্তুতি নিয়েও করোনার কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, এখন সেসব বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গত বছরের ২৫ মার্চ তারিখ ধরতে বলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশে সাধারণত বয়সসীমা ৩০ বছর। এখন যাদের বয়স গত বছরের ২৫ মার্চ ৩০ বছর হয়ে গেছে, তারাও এখন প্রকাশিত ও প্রকাশিতব্য ওইসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম বলেন, সরকারি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে বিপুল পরিমাণে প্রার্থী আবেদন করে থাকেন। করোনার কারণে তাদের একসঙ্গে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে অনেক দপ্তর-সংস্থার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তা স্থগিত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোট আকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে সেগুলোও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে শুরু করা হচ্ছে। বেশি আকারে আবেদনকারী হলে ধাপ ধাপে পরীক্ষা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি সব স্তরের নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হবে।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন ধাপে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ধাপে ধাপে লকডাউন ও সরকারি বিধিনিষেধ জারি করা হয়। মাঝে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলেও এ বছর নতুন করে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে এই বিধিনিষেধ আবারো জারি করা হয়। তা এখনো বহাল থাকায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ দুই শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগও রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানেই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হওয়ার পরও নিয়োগ কার্যক্রম ঝুলে আছে। কোনো কোনো মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও নেওয়া হচ্ছে না পরীক্ষা।
দেখা গেছে, নিয়োগ বিধি এবং মামলা জটিলতার কারণেও অনেক শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এসব নিয়োগ বিধি সংশোধন ও মামলা নিষ্পত্তির প্রাথমিক কাজ শেষ করতেই কেটে যাচ্ছে বছরের পর বছর। এদিকে ফি দিয়ে আবেদন করেও পরীক্ষা না দিয়েই চাকরির বয়স শেষ হচ্ছে অসংখ্য প্রার্থীর। ফলে তাদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা। তার ওপরে করোনা পরিস্থিতি যুক্ত হওয়ায় এ সঙ্কট আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এদিকে গত বছরের মার্চে করোনা পরিস্থিতি শুরু হলেও তার আগের মাসে (ফেব্রুয়ারি) প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে ২০টি মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পরের মাসে (মার্চে) ১৫টি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও সে বছরে নার্স ছাড়া আর তেমন উল্লেখযোগ্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। চলতি বছরের শুরুতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে জানুয়ারি থেকে আবারো নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করে পিএসসি। কিন্তু গত দুই মাস ধরে করোনার প্রকোপ আবারও বেড়ে যাওয়ায় নিয়োগ কার্যক্রমে অনেকটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। তবে চাহিদা মোতাবেক সরকারি জনবল নিয়োগে পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (নন ক্যাডার) নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারি নিয়োগের চাহিদা কমে গেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে যে চাহিদা পাঠানো হয়েছে তার ভিত্তিতে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করে যোগ্যদের তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে নতুন করে বেশ কয়েকটি সরকারি দপ্তর-সংস্থায় জনবল নিয়োগের চাহিদা এসেছে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ করে চূড়ান্তভাবে পাস করা প্রার্থীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।
বিসিএস থেকে নিয়োগ:
গত বুধবার পিএসসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩৮তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণি (৯ম গ্রেড) পদে সুপারিশের ফলাফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে বিভিন্ন পদে ৭৮০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা-২০১০ এবং সংশোধিত বিধিমালা-২০১৪ এর বিধান অনুযায়ী ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষায় ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধিতে বর্ণিত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থীদের বিসিএস অর্জিত মেধাক্রম ও সংশ্লিষ্ট পদের নিয়োগবিধির ভিত্তিতে ৭৮০ জন প্রার্থীকে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে কমিশন সুপারিশ করেছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
৩৮তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ স্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন প্রার্থীর সংখ্যা ছয় হাজার ১৭৩ জন। এর মধ্যে নন-ক্যাডার পদে সুপারিশের জন্য আবেদনকারী প্রার্থীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩২ জন। ইতোপূর্বে দুই দফায় নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগের জন্য ৯৮৩ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। সরকারি কর্ম কমিশন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের তিনটি ক্যাটাগরিতে ৬৬১ জনসহ মোট ৩৯ ক্যাটাগরির ৭৮০টি পদের জন্য সুপারিশ করে ফলাফল প্রকাশ করে।
পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ:
পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, নতুন করে আরো ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এই বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ বিভাগের এআইজি মো. সোহেল রানা সম্প্রতি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আধুনিক ও ত্রুটিমুক্ত করতে কাজ চলছে। এটা শেষ হলেই এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সূত্র জানায়, ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। চলতি জুন মাসেই এ ব্যাপারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। ২০২০ সালের শেষের দিকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। করোনার পরিস্থিতি এবং যোগ্যতা সংক্রান্ত কিছু মানদণ্ড নির্ধারণের কারণে তা পিছিয়ে যায়। কনস্টেবল পদে আবেদনের জন্য শিক্ষাগত ও শারীরিক যোগ্যতায় এবার কিছুটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি থাকলেও এবার সেটা এইচএসসি করা হতে পারে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা দেওয়া থাকলেও শিক্ষাসহ অন্যান্য যোগ্যতায় যারা এগিয়ে থাকবেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া এবার নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চতা ও বুকের মাপে কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে। এতদিন পুরুষদের কনস্টেবল হওয়ার জন্য উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি ও নারীদের জন্য পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি ছিল। এবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নারীদের উচ্চতার মানদণ্ড পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি করা হতে পারে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২০ বছর।
৫৪ হাজার বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ:
সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। গত ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হয়েছে। ৩০ এপ্রিল তা শেষ হয়েছে। ৩০ এপ্রিল প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শূন্য পদের সংখ্যা ৩১ হাজার ১০১টি, যার মধ্যে এমপিও ২৬ হাজার ৮৩৮টি এবং ননএমপিও পদ চার হাজার ২৬৩টি। মাদরাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় ২০ হাজার ৯৯৬টি পদের মধ্যে এমপিও ১৯ হাজার ১৫৪ এবং ননএমপিও এক হাজার ৮৪২টি। আবেদনকারীদের বয়স ২০২০ সালের ১ জানুয়ারিতে অনূর্ধ্ব ৩৫ হতে হবে। তবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইনডেক্সধারী প্রার্থী এবং মামলার রায়ে যারা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ লাভ করেছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য।

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব ২০১৯-২০২১
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardainikp1
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । দৈনিক পত্রিকা কতৃপক্ষ
%d bloggers like this: