1. syedmonir1985@gmail.com : DAINIKPOTRIKA :
  2. dainikpotrikainfo@gmail.com : Central Newsroom : Central Newsroom
  3. dainikpotrikabd@gmail.com : Central newsroom : Central newsroom
  4. dainikpotrikaads@gmail.com : News Room USA : News Room USA
বাঁশের হারিয়ে যাওয়া শিল্পে দুলালের সফলতার কাহিনী - দৈনিক পত্রিকা
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
ছন্দের তালে নৃত্যে আনন্দে ভারত-বাংলাদেশের অংশগ্রহনে নৃত্য ছড়াওকবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা-২০২১

বাঁশের হারিয়ে যাওয়া শিল্পে দুলালের সফলতার কাহিনী

লুৎফর রহমান, লালমনিরহাটঃ
  • প্রকাশ কালঃ রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে
বাঁশ শিল্প একটি লোকশিল্প। বাঁশ শিল্প বাঙালি সংস্কৃতির একটি বড় অংশ। বাঁশ দিয়ে ঘরের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করা হতো। আর এসব জিনিসপত্রের কদরও ছিল ভালো। একসময় গ্রামের ঘরে ঘরে বাঁশ শিল্পের দেখা মিললেও এখন সেখানে জায়গা করে নিয়েছে প্লাস্টিক পণ্য। প্রয়োজনীয় পুঁজির অভাব, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি ও উপকরণের মূল্য বৃদ্ধিসহ প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতায় বাঁশ শিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য বাঁশ শিল্পের ঠিকানা এখন অনেকটাই জাদুঘরে।
এই বাঁশ শিল্পের সাথে জীবন জড়িয়ে গেছে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দুলাল হোসেন (৩৬) নামে এক ব্যাক্তির।
দুলালের বাবা এই বাঁশ শিল্পের সাথেই জড়িত ছিলেন। পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে দুলালও ২৩ বছর আগে তার বাবার হাত ধরে এই শিল্পকে হাতে তুলে নেন।  শিখে ফেলেন বাঁশের হরেক রকম পণ্য তৈরির কাজ। বাবার সাথে তিনিও বাঁশের পণ্য বিক্রি করতে শুরু করেন। বাবা,মা, ৬ বোন ও তিনিসহ মোট ৯ জন সদস্য নিয়ে তার পরিবার ছিলো। বয়সের ভাড়ে বাবা সংসারের বোঝা বহন করতে হিমসিম খাওয়ায় তিনি হাল ধরেন সংসারের। বাঁশ দিয়ে বাহারি রকমের পণ্য তৈরি করে বিভিন্ন বাজারে গিয়ে ও গ্রামে গ্রামে বিক্রি করেন।
এই উপার্জনেই ৬ বোনের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। পরিবারের সবার চাহিদা মেটাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন দুলাল। ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন তিনিও এরপর তাদের ঘর আলোকিত করে আসে এক ছেলে ও মেয়ে।
দুলাল হোসেন উপজেলার দক্ষিণ গড্ডিমারী এলাকার ফটিক আলীর ছেলে।
বাঁশের কারিগর দুলাল হোসেন বলেন, অনেক ছোট থেকে এই শিল্পের সাথে জড়িত। অভাবের সংসার তাই বাবার সাথে আমিও এই পেশায় যুক্ত হয়েছি। এই বাঁশের পণ্য বিক্রি করেই সংসার চলে। বাঁশ দিয়ে ৩০ প্রকারের পণ্য তৈরি করি। যখন মৌসুম থাকে তখন প্রতি সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ হাজার ও অন্য সময় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এবং দৈনিক ৮শত থেকে ১ হাজার টাকা বিক্রি করি। এই উপার্জন দিয়ে আমার সংসার চলতেছে। এক সময় নিজের কোন জমি জায়গা ছিলো না এখন এই কাজ করে নিয়েছে কয়েক শতক জমি সব কিছু নিয়ে ভালো আছি।
হারিয়ে যাওয়া বাঁশ শিল্পকে ধরে রেখে নিজের সাফল্যর গল্প এভাবেই শোনান দুলাল।

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ত্ব ২০১৯-২০২১
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardainikp1
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । দৈনিক পত্রিকা কতৃপক্ষ
%d bloggers like this: